biggan, first oddhay
(অধ্যায় ২: পরিবেশের উপাদান - অনুশীলনী) প্রশ্নগুলোর উত্তর নিচে দেওয়া হলো। আপনি এগুলো শিক্ষার্থীদের সমাধান করতে সাহায্য করতে পারেন:
১. সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন ($\checkmark$) দিই
ক) জলজ উদ্ভিদের অনন্য বৈশিষ্ট্য কোনটি?
উত্তর: বায়ুকুঠুরি
খ) মাংসাশী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
উত্তর: তীক্ষ্ণ দাঁত
গ) শ্বাসমূল কোন উদ্ভিদে পাওয়া যায়?
উত্তর: সুন্দরী
২. শূন্যস্থান পূরণ
ক) জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে বায়ুকুঠুরি।
খ) তীব্র ঠান্ডায় প্রাণীর দেহকে গরম রাখে চর্বিস্তর।
গ) ছায়াযুক্ত স্থানের একটি উদ্ভিদ হলো ফার্ন।
৩. সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন
ক) জীবের আবাসস্থল বলতে কী বুঝায়?
উত্তর: কোনো জীব যেখানে বাস করে এবং যেখান থেকে তার প্রয়োজনীয় খাদ্য, পানি ও আশ্রয় পায়, তাকেই সেই জীবের আবাসস্থল বলে।
খ) স্বাদু পানির পরিবেশে কী ধরনের প্রাণী ও উদ্ভিদ থাকে?
উত্তর: স্বাদু পানির পরিবেশে শাপলা, কচুরিপানা, কলমি ইত্যাদি উদ্ভিদ এবং মাছ (যেমন: রুই, কাতলা), চিংড়ি ও ব্যাঙের মতো প্রাণী থাকে।
গ) জলজ প্রাণীতে কী ধরনের অভিযোজন ঘটে?
উত্তর: জলজ প্রাণীরা পানিতে বেঁচে থাকার জন্য বিশেষ অভিযোজন করে। যেমন—মাছ ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নেয় এবং পাখনার সাহায্যে সাঁতার কাটে।
৪. বর্ণনামূলক-উত্তর প্রশ্ন
ক) স্থলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উদ্ভিদ: এদের শক্ত কান্ড ও মূল থাকে যা মাটির গভীরে যায়। পাতা সাধারণত চ্যাপ্টা হয়।
প্রাণী: এদের পা থাকে চলাচলের জন্য এবং এরা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়।
খ) জলজ পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করি।
উদ্ভিদ: এদের কান্ড ও পাতা নরম এবং ভেতরে বায়ুকুঠুরি থাকে যা ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
প্রাণী: এরা সাধারণত ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নেয় এবং সাঁতার কাটার জন্য আঁইশ বা পাখনা থাকে।
আপনার আপলোড করা ছবিগুলো পর্যবেক্ষণ করে ৪ নং প্রশ্ন: বর্ণনামূলক-উত্তর প্রশ্ন-এর উত্তরগুলো নিচে সুন্দর করে গুছিয়ে দিচ্ছি:
৪. বর্ণনামূলক-উত্তর প্রশ্ন
ক) স্থলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: স্থলজ পরিবেশে (মাটিতে) বেঁচে থাকার জন্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা যায়:
স্থলজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
১. এদের কাণ্ড সাধারণত শক্ত ও মজবুত হয় যা বাতাস বা প্রতিকূল পরিবেশে গাছকে সোজা করে রাখতে সাহায্য করে।
২. মাটির গভীরে মূল বা শিকড় প্রবেশ করে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে।
৩. অনেক উদ্ভিদের পাতায় মোম জাতীয় আবরণ থাকে যা প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পানি রোধে সাহায্য করে।
স্থলজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্য:
১. এদের চলাচলের জন্য শক্তিশালী পা থাকে।
২. এরা ফুসফুসের সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বাসকার্য চালায়।
৩. প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে বাঁচতে এদের চামড়া বা দেহের গঠন বিশেষ ভাবে অভিযোজিত (যেমন মরুভূমির উটের কুঁজ বা মেরু অঞ্চলের প্রাণীর ঘন লোম)।
খ) জলজ পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করি।
উত্তর: পানিতে বেঁচে থাকার জন্য জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর শরীরে বিশেষ কিছু পরিবর্তন বা অভিযোজন ঘটে:
জলজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
১. এদের কাণ্ড ও পাতা খুব নরম ও নমনীয় হয়, যার ফলে পানির স্রোতে এরা সহজে ভেঙে যায় না।
২. এদের কাণ্ড বা বোঁটার ভেতরে বড় বড় বায়ুকুঠুরি থাকে, যা উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
৩. মূল সাধারণত খুব ছোট বা দুর্বল হয়, কারণ এরা সরাসরি শরীর দিয়েই পানি শোষণ করতে পারে।
জলজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্য:
১. এরা সাধারণত ফুলকার সাহায্যে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বাসকার্য চালায়।
২. চলাচলের জন্য এদের পাখা বা লিপ্তপাদ (হাঁসের মতো) থাকে।
৩. এদের শরীর সাধারণত দীর্ঘ ও মসৃণ হয়, যা পানির ভেতরে দ্রুত চলাচলে সাহায্য করে।
Comments
Post a Comment